HomeFreelancingইউটিউব থেকে টাকা আয় করার ৭টি উপায় (Earn money from YouTube 2024)

ইউটিউব থেকে টাকা আয় করার ৭টি উপায় (Earn money from YouTube 2024)

5/5 - (121 votes)

আমাদের মধ্যে অনেকেই আছে যারা ইউটিউব থেকে টাকা আয় করার সকল উপায় সম্পর্কে জানতে চাই। বর্তমান সময়ে ইউটিউব থেকে টাকা আয় করা খুবই সহজ। যদি আপনি ইউটিউব থেকে টাকা আয় করার ব্যাপারে গুগলে সার্চ করে থাকেন তাহলে আপনি সঠিক জায়গায় এসেছেন। 

আপনি যদি ইউটিউব শুরু করে বিভিন্ন উপায় অবলম্বন করে youtube থেকে আয় করতে চান এবং যদি আপনার ইউটিউব চ্যানেল থাকে তবে সেটির ইনকাম বৃদ্ধি করতে চান তাহলে আজকের এই আর্টিকেল সম্পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে পূরণ।

কারণ, কিভাবে ইউটিউব চ্যানেল থেকে ইনকাম করতে হয় কিভাবে ইউটিউব চ্যানেলের আয় বাড়াতে হয় সে সম্পর্কে আজকের এই আর্টিকেলে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। এবং সেইসাথে একটি ইউটিউব চ্যানেল থেকে কতগুলো উপায় অবলম্বন করে আয় করা যায় সে সম্পর্কেও সঠিক ধারণা দিয়েছি।

তাই ২০২৪ সালে আপনি যদি চিন্তা করে থাকেন নতুন একটি ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করবেন অথবা ইউটিউব চ্যানেলের ইনকাম বৃদ্ধি করবেন তাহলে পুরো আর্টিকেল একদম মনোযোগ দিয়ে পড়ার জন্য আপনাকে অনুরোধ করা হলো।

ইউটিউব থেকে টাকা আয়

ইউটিউব থেকে টাকা আয় করা যায় এ ব্যাপারটা আমরা কম বেশি সকলেই জানি। একটা সময় ছিল ইউটিউব প্লাটফর্ম শুধুমাত্র ভিডিও স্ট্রিমিং হিসেবে সবাই ব্যবহার করত।  অনেকেই জানেন youtube হল google এর একটি জনপ্রিয় প্রোডাক্ট।

যেখানে একজন ইউটিউবার তার বিভিন্ন ধরনের ভিডিও কনটেন্ট তৈরি করার মাধ্যমে সেখানে আপলোড করে এবং গুগল এডসেন্স অ্যাপ্রভাল নিয়ে সেই চ্যানেল থেকে প্রত্যেক ইউটিউবার প্রতি মাসে লক্ষ লক্ষ ডলার আয় করে। 

আপনিও চাইলে ইউটিউব থেকে টাকা আয় করার জন্য একটি নতুন ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করে সেখানে বিভিন্ন ধরনের ভিডিও কনটেন্ট আপলোড করার মাধ্যমে গুগল এডসেন্স অ্যাপ্রভাল নিয়ে অথবা অন্যান্য উপায় অবলম্বন করে ইউটিউব থেকে ইনকাম করতে পারেন।

আমি আমার একটি ইউটিউব চ্যানেল থেকে প্রতিমাসে সর্বনিম্ন ৩৫০ ডলার থেকে শুরু করে ১৬৫০ ডলার পর্যন্ত আয় করছি। ইউটিউব থেকে টাকা আয় করা হচ্ছে একটি প্যাসিভ ইনকাম, অর্থাৎ আপনি একটি ভিডিও একবার আপলোড করে রাখলেন যদি আপনার ইউটিউব চ্যানেল মনিটাইজ হয়ে যায় তাহলে সেই ভিডিও যত বেশি ভিউ হবে আপনার ইনকাম তত বেশি বৃদ্ধি পাবে।

ইউটিউব থেকে টাকা আয় করার ৭টি উপায় (7 ways to earn from YouTube)

আজকের এই ব্লগ পোস্টে ইউটিউব থেকে টাকা আয় করার ৭ টি উপায় সম্পর্কে আলোচনা করব। আমার পার্সোনাল এক্সপেরিয়েন্স থেকে বলছি আমি যে ইউটিউব থেকে আয় করা সাতটি উপায় সম্পর্কে এখানে আলোচনা করব তা শতভাগ প্রমাণিত এবং শতভাগ নিশ্চিত।

আপনার উদ্দেশ্যে জানিয়ে রাখি, দীর্ঘ আট বছর ইউটিউব জার্নিতে আমি যে সকল বিষয় সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করেছি তারই আলোকে আজকের এই আর্টিকেলে ইউটিউব থেকে টাকা আয় করার ৭টি বিষয় সম্পর্কে বিশদ বিস্তারিত জানাতে চলেছি। 

যেহেতু ইউটিউব থেকে টাকা আয় করার যে আর্টিকেলটি আপনি পড়ছেন তা একদম বিনামূল্যে, আপনাকে এই আর্টিকেল পড়ার জন্য কোন অর্থ প্রদান করতে হচ্ছে না, কোন ধরনের কোর্স কিনতে হচ্ছে না তাই, ইউটিউব থেকে টাকা আয় করার ৭টি প্রমাণিত সহজ উপায় গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে অবশ্যই আর্টিকেল পুরো মনোযোগ দিয়ে পড়ুন। ইউটিউব থেকে আয় করার ৭টি  উপায় নিচে তুলে ধরা হলো।

অবশ্যই পড়বেন:

গুগল এডসেন্স থেকে টাকা আয়

আমাদের দেশে বেশিরভাগ ইউটিউবার তাদের ইউটিউব চ্যানেল থেকে টাকা আয় করে গুগল এডসেন্স থেকে। গুগল এডসেন্স থেকে টাকা আয় করার দুইটি পদ্ধতি রয়েছে আর তা হল:

  • ইউটিউব চ্যানেল মনিটাইজেশন
  • ওয়েবসাইট/ব্লগ মনিটাইজেশন

অর্থাৎ যদি আপনি গুগল এডসেন্স থেকে টাকা আয় করতে চান তাহলে অবশ্যই আপনার একটি ইউটিউব চ্যানেল থাকতে হবে অথবা একটি ব্লগ/ওয়েবসাইট থাকতে হবে। তবে যেহেতু আজকে আমরা ইউটিউব থেকে টাকা আয় করা সম্পর্কে  আলোচনা করছি তাই “ব্লগ থেকে টাকা আয় করার ১১ টি সহজ উপায়” সম্পর্কে জানতে এই আর্টিকেলে পড়তে পারেন। 

ইউটিউব চ্যানেলে মনিটাইজেশন 

আপনার কাঙ্খিত ইউটিউব চ্যানেল মনিটাইজেশন চালু হবার পর আপনার আপলোড করা ভিডিও গুলোতে গুগল এডসেন্স থেকে বিভিন্ন ধরনের বিজ্ঞাপন প্রদর্শিত হয়।

যখন আপনার ভিডিওগুলোতে বিভিন্ন ধরনের বিজ্ঞাপন অথবা এডভার্টাইজমেন্ট প্রদর্শিত হয় তখন আপনি আপনার সেই ইউটিউব চ্যানেলের ভিডিওগুলো থেকে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। 

ইউটিউব চ্যানেল মনিটাইজেশন শর্ত ২০২৪ 

একটি ইউটিউব চ্যানেল মনিটাইজেশন এর জন্য আবেদন করতে হলে অবশ্যই ইউটিউব এর গাইডলাইন অর্থাৎ ইউটিউব চ্যানেল মনিটাইজেশন শর্ত ২০২৪ মেনে চলতে হবে। ইউটিউব চ্যানেল মনিটাইজেশন শর্ত হলো:

  • ১২ মাস অর্থাৎ একবছর মধ্যে চার হাজার ঘন্টা ওয়াচ টাইম হতে হবে।
  • ১২ মাস অর্থাৎ এক বছরের মধ্যে ইউটিউব চ্যানেলে এক হাজার সাবস্ক্রাইবার থাকতে হবে।
  • কোন কপিরাইট স্টাইক বা কপিরাইট ক্লেইম থাকা যাবে না (কপিরাইট কোন কনটেন্ট আপলোড করা যাবে না)
  • Youtube এর সকল টার্মস অ্যান্ড কন্ডিশন অর্থাৎ নিয়ম নীতি মেনে চলে মনিটাইজেশন আবেদন করতে হবে।

উপরোক্ত সকল ইউটিউব মনিটাইজেশন শর্ত কমপ্লিট হয়ে গেলে আপনি আপনার ইউটিউব চ্যানেল মনিটাইজেশন করার মাধ্যমে ইউটিউব থেকে টাকা আয় শুরু করতে পারেন।

Youtube মনিটাইজেশন সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য বা সহযোগিতা পেতে অবশ্যই আমার সাথে যোগাযোগ করুন অথবা কমেন্ট সেকশনে আপনি আপনার মতামত প্রদান করুন।

এফিলিয়েট মার্কেটিং করে ইউটিউব থেকে আয়

বর্তমান সময়ে অনলাইনে টাকা উপার্জন করার আরেকটি জনপ্রিয় মাধ্যম হচ্ছে এফিলিয়েট মার্কেটিং। আমাদের দেশে অনেক তরুণ তরুণী রয়েছে যারা বর্তমান সময়ে এফিলিয়েট মার্কেটিং করে প্রতি মাসে কয়েক হাজার ডলার উপার্জন করছে।

এফিলিয়েট মার্কেটিং করে ইউটিউব থেকে আয় (100% কার্যকর)
এফিলিয়েট মার্কেটিং করে ইউটিউব থেকে আয় (100% কার্যকর)

তবে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বিভিন্ন উপায়ে করা গেলেও প্রধান দুইটি উপায় রয়েছে যা ব্যবহার করে আপনি এফিলিয়েট মার্কেটিং করে টাকা উপার্জন করতে পারবেন। এফিলিয়েট মার্কেটিং করে অনলাইনে টাকা উপার্জন করার দুটি মাধ্যম হলো:

  1. ব্লগ অথবা ওয়েবসাইট
  2. ইউটিউব চ্যানেল

যদি আপনি এফিলিয়েট মার্কেটিং করে অনলাইনে টাকা উপার্জন করতে চান তাহলে অবশ্যই আপনার একটি ব্লগ সাইট অথবা একটি ইউটিউব চ্যানেল থাকা বাধ্যতামূলক। কেবলমাত্র ইউটিউব চ্যানেল মনিটাইজেশন করে সেখান থেকে অর্থ উপার্জন করা যায় ব্যাপারটি সেরকম নয় বরং আপনি চাইলে আপনার youtube চ্যানেল দিয়ে এফিলিয়েট মার্কেটিং করার মাধ্যমে ঘরে বসে আয় করতে পারবেন।

ইউটিউব চ্যানেল দিয়ে এফিলেট মার্কেটিং করার ব্যাপারটি এতটা জনপ্রিয়তা না হলেও বর্তমান সময়ে এটি দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমাদের দেশে অনেক ইউটিউবার রয়েছে যারা প্রথমদিকে ইউটিউব চ্যানেল মনিটাইজেশন করে আয় করতো কিন্তু এখন তারা তাদের ইউটিউব চ্যানেল দিয়ে এফিলেট মার্কেটিং করে প্রতি মাসে ৪০০ থেকে ১০০০ ডলার পর্যন্ত আয় করছে।

এফিলিয়েট মার্কেটিং কি?

সহজ ভাষায় অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হল যেকোনো ই-কমার্স ওয়েবসাইটের একটি প্রোডাক্ট এর লিংক মার্কেটিং করা। অর্থাৎ আপনি যেকোন ই-কমার্স রিলেটেড ওয়েবসাইটের একটি প্রোডাক্ট নির্বাচন করে সেই প্রোডাক্ট এর লিংক আপনার ইউটিউব চ্যানেলের বিভিন্ন ভিডিও ডেসক্রিপশনে যুক্ত করে দিবেন।

আপনার চ্যানেলের ভিজিটর যখন সেই কাঙ্ক্ষিত লিংক এ ক্লিক করে উক্ত প্রোডাক্ট ক্রয় করবে তখন ওই প্রোডাক্ট ক্রয় করার জন্য আপনি একটি পার্সেন্টেজ পাবেন। 

তবে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে অর্থ উপার্জন করার জন্য নির্দিষ্ট কিছু শর্ত রয়েছে যেগুলো সম্পর্কে আপনার জ্ঞান অর্জন করতে হবে। তাই কিভাবে অ্যাফিলেট মার্কেটিং করে অনলাইন থেকে অর্থ উপার্জন করতে হয় সে সম্পর্কে একটি নির্দিষ্ট আর্টিকেল রয়েছে আপনি চাইলে আমাদের ওয়েবসাইটে সে আর্টিকেলটি পড়ে নিতে পারেন।

নিজস্ব প্রোডাক্ট বিক্রি করে ইউটিউব থেকে আয়

যখন আপনি ইউটিউব ভিডিও দেখেন তখন খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন অনেক ইউটিউবার রয়েছে যারা বিভিন্ন ধরনের প্রোডাক্ট সম্পর্কে তাদের ভিডিওতে আলোচনা। বিশেষ করে যারা টেক ইউটিউবার রয়েছে তারা বিভিন্ন ধরনের টেকনোলজি প্রোডাক্ট অথবা ডিজিটাল প্রোডাক্ট সম্পর্কে তাদের ভিডিওতে বিস্তারিত উপস্থাপন করে।

সেই সাথে প্রোডাক্ট গুলোর বিক্রয় করার জন্য তারা প্রমোশন করে। অনেক ইউটিউবার রয়েছে যারা তাদের ডিজিটাল সার্ভিস কিংবা যেকোনো ধরনের প্রোডাক্ট তাদের চ্যানেলের যে সকল ভিজিট রয়েছে সে সকল ভিজিটরদের ক্রয় করতে উৎসাহ করে।

এক্ষেত্রে একজন ইউটিউবার তাদের চ্যানেলে নিজস্ব প্রোডাক্ট বিক্রয় করার মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করে।

আপনি চাইলে আপনার ইউটিউব চ্যানেলে গুগল এডসেন্স এর পাশাপাশি নিজস্ব প্রোডাক্ট বিক্রি করে ইউটিউব থেকে টাকা আয় করতে পারবেন। তবে যেকোনো ধরনের প্রোডাক্ট আপনি এখানে বিক্রি করতে পারবেন না কেননা প্রোডাক্ট বিক্রি করার সময় অবশ্যই আপনাকে লক্ষ্য রাখতে হবে যে প্রোডাক্ট সম্পর্কে মানুষের চাহিদা আছে সেই প্রোডাক্ট বিক্রয়ের জন্য চেষ্টা করতে হবে।

আপনার জানা থাকা উচিত শুধুমাত্র আমাদের দেশেই নয় বরং উন্নত রাষ্ট্রগুলোতে ই-কমার্স ওয়েবসাইটের পাশাপাশি তারা তাদের প্রোডাক্টগুলো youtube চ্যানেলের মাধ্যমে বিক্রয় করে ইউটিউব থেকে টাকা আয় করছে। এতে করে একদিকে যেমন নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রচার এবং প্রসারনা বাড়ছে ঠিক একই সাথে তাদের প্রোডাক্টগুলো বৃদ্ধি হচ্ছে।

আর এ কারণেই আমি আপনাকে রিকোয়ারমেন্ট করব আপনি যদি ইউটিউব থেকে বিভিন্ন উপায় অবলম্বন করে অর্থ উপার্জন করতে চান তাহলে নিজস্ব প্রোডাক্ট বিক্রি করে ইউটিউব থেকে টাকা আয় করুন।

লোকাল স্পন্সরশীপ এর মাধ্যমে আয়

বাংলাদেশে অনেক ইউটিউবার রয়েছে আপনি খেয়াল করলেই দেখবেন তারা বিভিন্ন কোম্পানির সার্ভিস এবং প্রোডাক্ট সম্পর্কে তাদের ভিজিটরদের কাছে প্রমোশন করে। অর্থাৎ বিভিন্ন কোম্পানির লোকাল স্পনসরশিপ এর মাধ্যমে ইউটিউব থেকে প্রতি মাসে কয়েক হাজার টাকা বা কয়েক লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয় করছে।

লোকাল স্পন্সরশীপ এর মাধ্যমে ইউটিউব থেকে আয়
লোকাল স্পন্সরশীপ এর মাধ্যমে ইউটিউব থেকে আয়

তবে আপনি যদি লোকাল স্পন্সরশিপ এর মাধ্যমে আয় করতে চান তাহলে অবশ্যই আপনার ইউটিউব চ্যানেলে ভালো সাবস্ক্রাইবার এবং বিপুল সংখ্যক ভিজিটর থাকতে হবে। কেননা যদি আপনার ইউটিউব চ্যানেলে পরিমাণ মতো সাবস্ক্রাইবার এবং হিউজ পরিমাণ ভিউ না থাকে তাহলে কোন লোকাল কোম্পানি আপনাকে স্পন্সরশিপ দেবে না।

আপনি বিভিন্ন ধরনের কোম্পানির স্পন্সারশীপ নিয়ে ইউটিউব চ্যানেল থেকে এক্সট্রা টাকা আয় করতে পারবেন। বাংলাদেশে এরকম অনেক ইউটিউবার রয়েছে যারা মূলত বিভিন্ন কোম্পানির স্পন্সরশীপ নিয়ে ইউটিউব থেকে টাকা আয় করছে। যেমন:

উপরে উদাহরণস্বরূপ বাংলাদেশের জনপ্রিয় যে সকল ইউটিউব চ্যানেলের লিংক দিয়েছি তারা বিভিন্ন কোম্পানির স্পনসরশিপ নিয়ে তাদের প্রোডাক্ট রিভিউ করার মাধ্যমে প্রতি মাসে কয়েক লক্ষ টাকা উপার্জন করছেন।

আপনি যদি একজন প্রফেশনাল ইউটিউবার হয়ে থাকেন তবে আপনি চাইলে বিভিন্ন কোম্পানির সাথে কথা বলে আপনি আপনার চ্যানেলে তাদের প্রোডাক্ট প্রমোশন করার জন্য স্পনসরশীপ নিতে পারেন। একটি কোম্পানি তাদের প্রোডাক্ট সম্পর্কে রিভিউ দেবার জন্য একজন ইউটিউবারদের কত টাকা প্রদান করে থাকে তা আপনি চিন্তা করতে পারবেন না।

এগুলো পড়তে পারেন,,

তাই আপনি যদি মানুষ স্থির করেন যে আপনি ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করে সেখান থেকে অর্থ উপার্জন করবেন তবে আপনার youtube চ্যানেলে বিভিন্ন কোম্পানির স্পন্সারশীপ নিয়ে আয় করার কোন বিকল্প নেই।

ভোনেশনের মাধ্যমে ইউটিউব থেকে ইনকাম

বাংলাদেশে ডোনেশনের মাধ্যমে ইউটিউব চ্যানেল থেকে আয় করা সেরকম কোন প্রচলন বা জনপ্রিয়তা নেই। তবে আমাদের দেশের তুলনায় বহির্বিশ্বে youtube চ্যানেল থেকে ডোনেশন সিস্টেম থেকে অনেকেই উপার্জন করে থাকে।

অনেক ইউটিউবার রয়েছে যারা সামাজিক এবং শিক্ষনীয় সেই সাথে দুস্থ, অভাবগ্রস্ত, অসহায় এবং পথ শিশুদের সহযোগিতা করার জন্য বিভিন্ন ধরনের ভিডিও কনটেন্ট তৈরি করেন। সেই সকল ইউটিউবারদের বিভিন্ন ধরনের সংগঠন কিংবা ব্যক্তি রয়েছে যারা ডোনেশন দিয়ে থাকে। 

ইউটিউবে কোর্স তৈরি করে আয়

বর্তমান সময়ে যেহেতু youtube থেকে প্রতি মাসে খুব ভালো পরিমাণ অর্ধ উপার্জন করা যাচ্ছে তাই অনেক নতুন ইউটিউবার রয়েছে যারা ইউটিউব কনটেন্ট তৈরি করার জন্য কিংবা ভিডিও এডিটিং শেখার জন্য বিভিন্ন ধরনের কোর্স করতে আগ্রহী।

একদম জিরো লেভেল থেকে যখন আপনি ইউটিউব এক্সপার্ট হয়ে যাবেন তখন চাইলে আপনার পার্সোনাল এক্সপেরিয়েন্স এবং আপনার দক্ষতা নতুন ইউটিউবারদের কাছে শেয়ার করতে পারবেন।

আপনি youtube premium subscription চালু করবেন এবং সেখানে আপনার প্রিমিয়াম ভিডিও কনটেন্ট গুলো আপলোড করে রাখ। পরবর্তীতে সে সকল ভিডিও যদি কোন ভিজিটর ক্রয় করে তাহলে আপনি আপনার সেই কোর্স বিক্রি করে ইউটিউব থেকে আয় করতে পারবেন। 

তবে যদি আপনি ইউটিউব এক্সপার্ট না হন তাহলে অবশ্যই ইউটিউব কোর্স তৈরি করে আয় করার কথা চিন্তাও করবেন না। আপনার তৈরি করা কোর্স বা আপনার তৈরি করা ভিডিওগুলো যদি কারো উপকারের না আসে তাহলে আপনি তাদের কাছে হের প্রতিপন্ন হবেন।

এবং আপনার চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার হারাবেন সেইসাথে আপনার চ্যানেলের ভিডিওর ভিউজ কমে যাবে। ফলস্বরূপ আপনি ইউটিউব থেকে আয় করতে পারবেন না, অথবা আপনার ইউটিউবের ইনকাম কমে যাবে। তাই আমি আপনাকে রিকোয়ারমেন্ট করব অবশ্যই আপনি পূর্বে youtube এক্সপার্ট হয়ে উঠুন এরপরে ইউটিউবে কোর্স তৈরি করে আয় করার কথা চিন্তা করুন।

Homepage shobarjobs.com
Category Freelancing
Last Update Just Now
Written by Ashraful Islam

আমাদের শেষ কথা,

আজকের এই আর্টিকেলে ইউটিউব থেকে টাকা আয় অথবা ইউটিউব থেকে অর্থ উপার্জন করা সম্পর্কে আপনাকে সঠিক গাইডলাইন দিয়েছি। যদি আপনি আজকের এই ইউটিউব থেকে আয় করা সংক্রান্ত আর্টিকেল মনোযোগ সহকারে শুরু থেকে শেষ অব্দি পড়ে থাকেন তাহলে আপনি ইউটিউব জার্নি শুরু করতে পারবেন। 

যদি আপনি ২০২৪ সালে একটি নতুন প্রফেশনাল ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করে সেখানে নিয়মিত কোয়ালিটি ফুল ভিডিও কনটেন্ট আপলোড করতে পারেন তাহলে আমি আশ্বস্ত করতে পারি আপনি ইউটিউব থেকে টাকা আয় করার পাশাপাশি আপনার ক্যারিয়ার দাঁড় করাতে পারবেন।

ইউটিউব থেকে আয় করা সংক্রান্ত এবং একটি প্রফেশনাল ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করার বিষয়ে যদি কোন হেল্প প্রয়োজন হয় তাহলে অবশ্যই আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। অথবা কমেন্ট সেকশনে আপনার মূল্যবান মতামত জানাতে পারেন। 

আমি আমার এই ওয়েবসাইট অর্থাৎ সবারজবস ডটকম এ বিভিন্ন ধরনের টেকনোলজি, ট্রিকস এবং টিপস শেয়ার করে থাকি। সেই সাথে অনলাইন ইনকাম রিলেটেড বিভিন্ন ধরনের গুরুত্বপূর্ণ আর্টিকেল পাবলিশ করি। যদি আপনি এ সকল আর্টিকেল মিস না করতে চান তাহলে অবশ্যই আমার এই ব্লগ প্রতিনিয়ত ভিজিট করার আহ্বান জানানো হলো।

কথা হবে পরবর্তী নতুন কোন টপিক এবং নতুন কোন আর্টিকেল নিয়ে। সে পর্যন্ত সকলে ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন। ধন্যবাদ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Updated

Recent