HomeFreelancingঅনলাইনে কোন কাজের চাহিদা বেশি 100% আপডেট

অনলাইনে কোন কাজের চাহিদা বেশি 100% আপডেট

5/5 - (97 votes)

অনলাইনে কোন কাজের চাহিদা বেশি ২০২৩ সালে এ নিয়ে আজকের আর্টিকেলে আমরা বিস্তারিত আলোচনা করব। 

আমরা যারা অনলাইনে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করছে কিংবা অনলাইন থেকে আয় করতে চাচ্ছি তারা ভেবে চিন্তে পারছিনা যে অনলাইনে কোন কাজটি আমি শিখব যেটির চাহিদা মার্কেটপ্লেসে জনপ্রিয়।

তাই ইন্টারনেটে অনেকেই খোঁজ করে থাকেন যে অনলাইনে কাজের চাহিদা বেশি হয়ে থাকে সে বিষয়ে জানতে।

মূলত এ কারণেই আজকে আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করতে চলেছি যে অনলাইনে কোন কাজের চাহিদা বেশি তার সম্পর্কে। 

কেননা অনলাইনে ইনকাম শুরু করার পূর্বে আপনি যে বিষয় নিয়ে অনলাইনে কাজ করতে চান তা সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকতে হবে।

বর্তমান সময়ে অনলাইনে কোন কাজের চাহিদা বেশি?

আমি পার্সোনালি যখন গুগলে সার্চ করেছি অনলাইনে কোন কাজের চাহিদা বেশি তখন আমার সামনে অনেকগুলো ওয়েবসাইটের লিংক চলে আসে।

পরবর্তীতে উক্ত ওয়েবসাইট এবং ব্লগ পর্যালোচনা করে আমি যা জানতে পারলাম তা নিয়েই আজকের এই আর্টিকেল। 

বেশিরভাগ ওয়েবসাইট কিংবা ব্লগে যে বিষয়গুলো নিয়ে বিশদভাবে আলোচনা করা হয়েছে সেই বিষয়গুলো নিয়ে আমি আপনাদের কাছে ক্লিয়ার করে দিব।  যাতে করে অনলাইনে কোন কাজের চাহিদা সবচেয়ে বেশি তার সম্পর্কে আপনি একটি সঠিক ধারণা পেতে পারেন।

আশা করি আজকের এই আর্টিকেলটি মনোযোগ দিয়ে পড়লে আপনি অবশ্যই অনলাইনে কোন কাজের চাহিদা সবচেয়ে বেশি রয়েছে তার সম্পর্কে সঠিক ধারণা পেয়ে যাবেন। 

এবং যে সকল ক্যাটাগরি নিয়ে আলোচনা করব উক্ত ক্যাটাগরির যদি আপনার ভালো লেগে যায় তাহলে তা নিয়ে অনলাইনে আয় করা শুরু করতে পারেন। আর মূলত এ কারণেই শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ সহকারে পোস্ট পড়ার জন্য অগ্রিম ধন্যবাদ দেয়া হল।

ওয়েব ডিজাইন এর চাহিদা

আপনি হয়তো অবশ্যই জানেন একজন ভাল মানের ওয়েব ডিজাইনার এবং ওয়েব ডেভলপার এর চাহিদা মার্কেটপ্লেসে দিনদিন বৃদ্ধি হতে চলেছে। 

বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে যারা ভালো মানের ওয়েব ডিজাইন এবং ডিপ্লোমার তারা কখনই কাজের জন্য বসে থাকে না।

যে কোনো ভালো মানের ওয়েব ডিজাইনার এবং ওয়েব ডেভলপার তারা চাইলেই ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসগুলোতে কে প্রতিমাসে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করতে পারেন। 

সবচেয়ে বড় কথা হল আপনি যদি একজন দক্ষ ওয়েব ডিজাইনার এবং ওয়েব ডেভলপার হতে পারেন তাহলে অফলাইন কিংবা অনলাইন দুটোতেই আপনি ক্যারিয়ার গড়তে পারবেন।

এবং যদি প্রশ্ন ওঠে অনলাইনে কোন কাজের চাহিদা সবচেয়ে বেশি তাহলে আমি ওয়েব ডিজাইনের চাহিদা অনলাইনে সবথেকে বেশি বলে গণ্য করব।

ওয়েব ডিজাইন এবং ডেভেলপমেন্ট কি?

ওয়েব ডিজাইন হচ্ছে মূলত একটি ওয়েব পেজের ফ্রন্ট পেজ। অর্থাৎ একটা ওয়েবসাইটের লে আউট, ওয়েবসাইটের সাইডবার, সাইডবার কালার, হেডার এবং ফুটার,মেনুবার, সার্চ আইকন এবং ওয়েবসাইটের আর্টিকেল কিংবা কনটেন্ট গুলো কিভাবে একজন ভিজিটর এর সামনে প্রদর্শন হবে সেটি বোঝায়। 

ওয়েব ডেভলপমেন্ট হচ্ছে, একটি ওয়েব পেজের ভেতরের অংশ, অর্থাৎ একজন ওয়েব সাইটের এডমিন কিভাবে তার ওয়েবসাইটে প্রবেশ করবে এবং তার ওয়েবসাইট সে কিভাবে পরিচালনা করবে সেই বিষয়টি নিশ্চিত করাই হচ্ছে ওয়েব ডেভলপমেন্ট এর কাজ। 

তাহলে তো বোঝাই গেল অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে ওয়েব ডিজাইন এবং ওয়েব ডেভলপারদের গুরুত্ব অপরিসীম।

আপনি বিশ্বাস করুন আর নাই করুন তবে আপনাকে জানিয়ে রাখি যে বাংলাদেশে অনেক যুবক-যুবতী রয়েছে যারা ওয়েব ডিজাইন এবং ডেভেলপমেন্ট এর মাধ্যমে অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে কে প্রতি মাসে 5 থেকে 10 লক্ষ টাকা আয় করছেন।

গ্রাফিক্স ডিজাইন এর চাহিদা

ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস আপওয়ার্ক এর দুই নম্বর তালিকায় অবস্থান করছে গ্রাফিক্স ডিজাইন। তাহলে বুঝে নিন গ্রাফিক্স ডিজাইন এর চাহিদা অনলাইন কাজগুলোর মধ্যে কতটা জনপ্রিয়। 

বিভিন্ন অনলাইন মার্কেটপ্লেস রয়েছে যেমন freelancing.com 18.com fiber.com ইত্যাদি অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে গ্রাফিক্স ডিজাইন ক্যাটাগরির উপর প্রতি ঘন্টায় মিনিমাম 5000 জব পোস্ট হয়। 

বর্তমান সময়ে অনলাইনে বিভিন্ন ধরনের ডিজাইনের ক্ষেত্রে গ্রাফিক্স ডিজাইন এর গুরুত্ব অপরিসীম তাই এর চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর এ কারণেই অনলাইনে কোন কাজের চাহিদা বেশি যদি কেউ প্রশ্ন করে তাহলে বলা যায় ওয়েব ডিজাইন এবং ওয়েব ডেভলপমেন্ট এর পরপরই গ্রাফিক্স ডিজাইন এর অবস্থান।

আমি চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি আপনি যদি গ্রাফিক্স ডিজাইন খুব ভালোভাবে জানতে পারেন শিখতে পারেন তাহলে আপনি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসগুলোতে প্রতি ঘন্টায়  মিনিমাম $25-$50 ডলার আয় করতে পারবেন।

অবশ্যই পড়ুন: 

সফটওয়্যার ডেভলপমেন্ট

কম্পিউটার, মোবাইল, ল্যাপটপ, ট্যাবলেট ইত্যাদি ডিভাইসে চালিত  অ্যাপ্লিকেশন (application) স্ক্রিপ্ট (script) বা প্রোগ্রামের জন্য বিভিন্ন সফটওয়্যার তৈরি করা হয় কিংবা এগুলো সফটওয়্যার দিয়েই চলে।

যেমন ফেসবুক গুগল প্লে স্টোর এগুলো একটি ওয়েবসাইট হলেও এর ইন্টারফেস গুলো সফট্ওয়ারে বিভিন্ন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ দিয়ে ইনক্লুড করা।

আমরা এভাবে বলতে পারি অন্য সফটওয়্যার পরিচালনা করা সহ বাস্তব জীবনের বিভিন্ন ছোট খাটো সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য প্রোগ্রামিং স্ক্রিপ্ট দিয়ে একটি পরিপূর্ণ অ্যাপ্লিকেশন কে সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টে বলে। 

অন্যথায় যে ব্যক্তি কিংবা প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার তৈরি করে থাকে তাদেরকে বলা হয় সফটওয়্যার ডেভলপার।

আপনি জেনে অবাক হবেন যে একটি সফটওয়্যার থেকে এমন প্যাসিভ ইনকাম করা সম্ভব যা আপনি খেয়ে শেষ করতে পারবেন না। তাই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কিংবা কোম্পানি অথবা কোন ব্যক্তি ভিন্ন ভিন্ন আইডিয়া নিয়ে বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার তৈরী করে নেয়।

অন্যথায় যারা সফটওয়্যার তৈরি করে তারা বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসগুলোতে সার্ভিস দেওয়ার পাশাপাশি অফলাইন অনলাইন দুটোতেই সফটওয়্যার তৈরি করে আয় করতে পারেন। 

আমার পরিচিত অনেক বন্ধু রয়েছে যারা সরকারি চাকরি ছেড়ে দিয়েও প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ শিখে সফটওয়্যার ডেভলপমেন্ট করে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসগুলোতে থেকে প্রতি মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করছেন।

কনটেন্ট রাইটিং এর চাহিদা

কনটেন্ট রাইটিং বলতে আমরা বুঝি সাধারণত যেকোনো ওয়েবসাইটের আর্টিকেল অথবা পোস্ট পাবলিশ করা। আপনি যদি না জেনে থাকেন তাহলে আপনার উদ্দেশ্যে বলছি বিভিন্ন অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে আর্টিকেল রাইটিং এর চাহিদা ব্যাপক হয়েছে। 

কনটেন্ট রাইটার রা অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে তাদের কণ্ঠে বিক্রয় করার পাশাপাশি নিজস্ব ব্লগ কিংবা ওয়েবসাইটে পাবলিশ করে গুগল এডসেন্স অথবা অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে হাজার হাজার টাকা উপার্জন করে থাকে।

উদাহরণস্বরূপ বলা যায় আপনি এখন যে আর্টিকেলটি পড়ছেন এটি এক ধরনের কনটেন্ট।

কনটেন্ট হতে পারে আর্টিকেল, ভিডিও, অডিও কিংবা ছবি যুক্ত একটি পূর্ণাঙ্গ পোস্ট না পড়ে বা দেখে মানুষ তাদের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান নিতে পারে অথবা বিনোদন গ্রহণ করতে পারে।

Freelancing.com upwork.com ইত্যাদি বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসগুলোতে কনটেন্ট রাইটারদের চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। 

তাই আপনি যদি একজন ভাল কনটেন্ট রাইটার হতে পারেন তাহলে বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসগুলোতে সুন্দর ক্যারিয়ার ডেভলপ করার পাশাপাশি নিজের ওয়েবসাইট বা ব্লগে উক্ত কনটেন্টগুলো পাবলিশ করে জনপ্রিয়তার সাথে সাথে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করতে পারবেন প্রতিমাসে।

এসইও এক্সপার্ট এর চাহিদা

যদি আপনি সত্যি কারের এসইও এক্সপার্ট হয়ে থাকেন তাহলে অনলাইনে আপনি কতগুলো উপায় আয় করতে পারবেন তার কোন হিসেব নেই। 

সাধারণভাবে বলতে গেলে বলা যায় যেহেতু একজন এসইও এক্সপার্ট হতে অনলাইনে অনেকটা সময় জার্নি করতে হয় তাই একজন এসইও এক্সপার্ট এর চাহিদা যেকোন অনলাইন মার্কেটপ্লেসে অন্যান্য কাজের তুলনায় অনেক বেশী হয়ে থাকে। 

তবে একজন এসইও এক্সপার্ট অন্যান্য ফ্রিল্যান্সারদের তুলনায় অনেক মেধাবী এবং অনেক যোগ্যতা সম্পন্ন হয়ে থাকে অনলাইন কাজের ক্ষেত্রে।  আর এ কারণেই একজন এসইও এক্সপার্ট নিজের সবটুকু দিয়ে চ্যালেঞ্জিং করে যেকোনো কাজ সম্পাদন করে থাকে।

আপনি যদি upwork.com fiber.com freelancing.com ইত্যাদি বিভিন্ন ওয়েবসাইট গুলোর ঘাটাঘাটি করে দেখেন তাহলে জানতে পারবেন এবং বুঝতে পারবেন একজন এসইও এক্সপার্ট প্রতি ঘন্টায় মিনিমাম $100 ডলারের চেয়েও অধিক টাকা উপার্জন করে থাকে।

আপনাকে সাজেস্ট করে বলবো আপনি যদি একজন ভাল মানের এসইও এক্সপার্ট হতে পারেন তাহলে আমার মতামত অনুযায়ী বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে কাজ করার পাশাপাশি নিজের ওয়েবসাইট অথবা ব্লগ তৈরি করে সেখানে এসইও দক্ষতা কাজে লাগিয়ে প্রতিমাসে অনলাইনে লক্ষ টাকার উপরে আয় করতে পারবেন।

ভিডিও এডিটিং এর চাহিদা

বর্তমান সময়ে অনলাইনে বিভিন্ন ধরনের ভিডিও এডিটিং এর কাজ ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে ডিজিটাল মার্কেটিং, এডভার্টাইজিং এইসব বিষয়ে ভিডিও এডিটিং এর চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি হতে চলেছে।

ওয়েবসাইট ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট এর পর পরে যে বিষয়টি আমাদের চোখে পড়ে সেটি হচ্ছে ভিডিও এডিটিং।

অনলাইনে কোন কাজের চাহিদা বেশি
অনলাইনে কোন কাজের চাহিদা বেশি

আমার অনেক পরিচিত বন্ধু এবং টিচার রয়েছে যারা শুধুমাত্র ভিডিও এডিটিং এর মাধ্যমে বিভিন্ন অনলাইন মার্কেটপ্লেস থেকে প্রতি মাসে দুই থেকে তিন লক্ষ টাকা আয় করছেন।

এ বিষয়টিকে আমি আপনাকে রিকুমেন্ট করি যে আপনি যদি একজন কম্পিউটার প্রেমে হয়ে থাকেন আর গ্রাফিক্স যদি আপনার নেশা হয়ে থাকে তাহলে আপনি ভিডিও এডিটিং এর মাধ্যমে বিভিন্ন অনলাইন মার্কেটপ্লেস থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করতে পারবেন আপনার ঘরে বসেই।

আর দেখুন:

ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট এর চাহিদা

ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট বলতে আমরা বুঝি নিজের ঘরে বসে কোন ফর্মাল চাকরি না করেও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান অথবা ব্যক্তিকে সার্ভিস প্রদান করা। 

অর্থাৎ প্রথাগত অফিসে গিয়ে চাকরি না করে নিজের ঘরে বসে যেকোনো প্রতিষ্ঠানের হয়ে কাজ করাকেই ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট বলা হয়। এক্ষেত্রে সুবিধা হল আপনাকে প্রতিদিন সময় মেইনটেইন করে কোন অফিসে হাজিরা দিতে হবে না।

আপনি চাইলে আপনার ঘরে বসেই ইন্টারনেট কানেকশন অন করে ভার্চুয়ালিটি মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের সার্ভিস প্রোভাইড করে অনলাইন থেকেই ঘরে বসে লক্ষ টাকা আয় করতে পারবেন আপনার যোগ্যতা অনুযায়ী।

Homepage shobarjobs.com
Category Freelancing
Last Update Just Now
Written by Ashraful Islam

 

যেহেতু এখন পৃথিবী হচ্ছে ইন্টারনেটের পৃথিবী তাই আগামী দিনের কথা চিন্তা ভাবনা করে এসব বিষয়ে আপনার দক্ষতা অর্জন করা জরুরী বলে আমি মনে করি।

আমার শেষ কথা,

উপরে উল্লেখিত অনলাইনে কোন কাজের চাহিদা বেশি সম্পর্কে আমি যে সকল বিষয় নিয়ে বলার চেষ্টা করেছি এগুলো ছাড়াও আরো অনেক পদ্ধতি রয়েছে অনলাইন থেকে আয় করার।

তবে বর্তমান ইন্টারনেট জগতে উল্লেখিত উপরের বিষয়গুলো সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে। 

তাই আমি হলফ করে বলতে পারি আপনি যদি উপরের বিষয়গুলো সম্পর্কে সঠিক ধারণা এবং সঠিকভাবে দক্ষতা অর্জন করতে পারেন তাহলে ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার গড়তে আপনার খুব বেশি একটা সময় লাগবে না।

আপনাকে রিকোয়েস্ট করব আপনি কেবলমাত্র হাতুড়ে ডাক্তারের মতো না হয় ভালোভাবে দক্ষতা অর্জন করে তারপর ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে প্রবেশ করুন। তাহলে আপনি হতাশ হবেন না এবং আপনি সফলতা অর্জন করবেন। পাশাপাশি আপনি বিভিন্ন ধরনের কাজ করে অনলাইন থেকে আয় করতে পারবেন।

আর যদি আপনার এসকল বিষয় নিয়ে কোনো ধরনের মন্তব্য থাকে তাহলে নিচের কমেন্ট সেকশনে ও জানাতে পারেন। উপরে উল্লিখিত কোন বিষয়টি সম্পর্কে আপনি বেশি উৎসাহী এবং কোন বিষয় নিয়ে আপনি ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার গড়তে চান সে বিষয়টি নিয়েও কমেন্ট সেকশনে ও জানাতে পারেন। ভাল থাকবেন, সুস্থ থাকবেন, নিজের শরীরের প্রতি যত্ন নিবেন এবং উপরওয়ালার ইবাদত করবেন।  আল্লাহ হাফেজ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Updated

Recent